অসুস্থ শরীরে নাচতে গিয়ে অজ্ঞান জ্যাকুলিন

শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ সম্প্রতি অসুস্থ শরীর নিয়ে একটি গানের শ্যুটিংয়ে অংশ নেন। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি, অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি।ভারতীয় গণমাধ্যম এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, জ্যাকলিন ও সুশান্ত সিং রাজপুতের নতুন ছবি ‘ড্রাইভ’-এর দ্বিতীয় গানের শ্যুটিং শেষ হয়েছে। ছবিটির ‘কর্মা’ গানের সিকোয়েন্সে অসুস্থ শরীরে ডান্স করতে গিয়ে, অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। অসুস্থ শরীরে পায়ে ব্যথা নিয়ে হাই-হিল পরে গানে নাচের সিকোয়েন্সেই শুধু নয়, ছবির অ্যাকশন দৃশ্যেও সকাল-রাতে শ্যুটিং করেন জ্যাকলিন।জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ বলছিলেন, ‘অসুস্থ শরীরে দু-দিন ধরে সকাল-রাতে গানের শ্যুট করেছি। পায়েও প্রচণ্ড ব্যথা ছিল। তবে এখন পর্দায় এই গানে নিজেকে দেখার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছি।’

দিনের পর দিন রানাঘাট স্টেশনে গান গেয়ে দিন কাটত রানু মণ্ডলের। নিত্যযাত্রীদের দিয়ে যাওয়া টাকাতেই তাঁর প্রয়োজন মিটত। কিন্তু মাসখানেক হল বদলে গিয়েছে রানাঘাটের সেই রানুর জীবন। এক নিত্যযাত্রীর দৌলতেই সোশ্যাল মিডিয়ার ‘সুরসাম্রাজ্ঞী’ হয়ে ওঠেন তিনি। সেখান থেকেই রানুর মুম্বই যাত্রা শুরু। কিন্তু জানেন কি? মুম্বইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রানুর সবেমাত্র গড়ে ওঠেনি? বহু বছর আগে মুম্বইয়ে থাকতেন তিনি।

কাজ করতেন অভিনেতা ফিরোজ খানের বাড়িতে।সম্প্রতি এই খবর ফাঁস হয়েছে সংবাদমাধ্যমে। জানা গিয়েছে, বছর কয়েক আগে অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্দেশক ফিরোজ খানের বাড়িতে রান্নার কাজ করতেন রানাঘাটের রানু মণ্ডল। রান্নার পাশাপাশি ঘর ঝাড়পোছ করার কাজও করতেন তিনি। কিন্তু রানু যেহেতু বাঙালি ছিলেন, তাই একটু অসুবিধা হত তাঁর। ঝরঝর করে হিন্দি বলতে পারতেন না। ওই সংবাদমাধ্যমে এও প্রকাশ পেয়েছে,

ছেলে ফরদিন খানকে দেখভাল করার জন্য রানুকেই বেছে নিয়েছিলেম ফিরোজ। এছাড়া ফিরোজের ভাই সঞ্জয় খানকেও কাজকর্মে সাহায্য করতেন রানু।কিন্তু হঠাৎ মুম্বই কেন গিয়েছিলেন রানু? সোশ্যাল মিডিয়ার ‘সুরসাম্রাজ্ঞী’ জানিয়েছেন, কৃষ্ণনগরে থাকতেন তিনি। রানাঘাটে ছিল তাঁর মাসির বাড়ি। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে তিনি মুম্বই যান। তখনই ফিরোজ খানের বাড়িতে রান্নাবান্নার কাজ শুরু করেন। পরে মানসিক অবসাদ ভুগতে থাকেন তিনি। ফিরে আসেন রানাঘাটেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares