গঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জন দিলেই জরিমানা ৫০ হাজার!

এবার গঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জন ও পূজার সামগ্রী ফেলায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত সরকার। এছাড়া, প্রতিমা তৈরিতে বিষাক্ত দ্রব্য, রাসায়নিক, রঙ এবং অপচনশীল দ্রব্য ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে গুণতে হবে ৫০ হাজার রুপি জরিমানা। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের ১১টি রাজ্যকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।ভারতের ‘ন্যাশনাল মিশন ফর ক্লিন গঙ্গা’ এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিবঙ্গসহ ভারতের ১১টি রাজ্যে। সংস্থাটি জানায়, বিসর্জনের পর প্রতিমার কাঠামো দ্রুত সরানো হলেও রঙ, শোলার গয়না, ফুলের মালাসহ পূজা সামগ্রী পানিতে ভেসে থাকে। এতে বাড়ে দূষণ। যা জলজ প্রাণীদের জন্য ক্ষতিকর। গঙ্গায় দূষণ বন্ধে বিজয়া দশমী ছাড়াও কালীপূজা ও সরস্বতী প্রতিমা বিসর্জনেও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের ফলে নদী দূষণের অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। গঙ্গা বা তার উপনদীতে বিসর্জন না-দেওয়ার বিধান আগেও ছিল। পরিবেশকর্মী থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের অনেকেই বলছেন, বিসর্জন যেখানেই হোক, গঙ্গা বাঁচাতেই হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৌদি সরকারের গণমাধ্যম শাখার কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম সিবিএসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে যুবরাজ বলেছেন, আয়তনে বড় ও যে ধরনের হুমকির মুখোমুখি, সেই মানদণ্ডের হিসাবে সৌদি আরবের সুরক্ষা দেয়া কঠিন।তিনি বলেন, পুরো রাজ্যটিকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের কাজ। কাজেই ইরানকে প্রতিরোধে কঠোর ও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।এ ছাড়া সামরিক উপায়ে বদলে শান্তিপূর্ণ সমাধানেই তার বিশ্বাস বলে উল্লেখ করেছেন।বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রফতানিকারক দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র।৮৩ বছর বয়সী বাবা বাদশাহ সালমানের পরেই সিংহাসনের অধিকারী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। দেশটির এই কার্যত নেতা সৌদি আরবকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।তরুণ সৌদিদের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। রক্ষণশীল মুসলমান দেশটিতে বিধিনিষেধ শিথিল করে দিয়ে তিনি বেশ প্রশংসাও কুড়িয়েছেন।নারীদের তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি অধিকার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এবং সৌদির তেলনির্ভর অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন।কিন্তু দেশটির গণমাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়ে তার উদ্যোগের প্রতি আগ্রহের মাত্রা পরিমাপ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।১৪ সেপ্টেম্বরের হামলায় তেল জায়ান্ট আরামকোর দুটি স্থাপনায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে সৌদির তেল উৎপাদন অর্ধেক ও বিশ্বের ৫ শতাংশ কমে গিয়েছিল।ইরানকে এ হামলায় দায়ী করছে সৌদি ও তাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। তেহরান বরাবরই সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করে আসছে।লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি সম্পর্কিত থিংকট্যাংক চ্যাথাম হাউসের গবেষক নেইল কুইলিয়াম বলেন, হামলার ব্যাপকতা ছিল সৌদি জনগণ কিংবা প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে যুবরাজ ও তার ভাই উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রীর ধারণার বাইরে। যুক্তিযুক্তভাবেই দেশটি এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় হামলায় আক্রান্ত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares