নিত্যপণ্যের উর্ধ্বগতির আড়ালেই বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে ওষুধের দাম

জীবন রক্ষাকারী নিত্য ব্যবহার্য বেশ কিছু ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। যথাযথ আইন না থাকায় কোন নিয়ন্ত্রণ নেই ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে। মুক্তবাজারের যুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ এই পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে কোম্পানিগুলো।

মানুষের সামর্থ্য বিচার করে রোগ-বালাই হয় না। ধনী-দরিদ্র সবারই দরকার হয় ওষুধ। তাই নিয়মিত কেনা হয় এমন ওষুধের দামের লাগান টানতে উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকেই। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ আছে ৩৬৪৯টি জেনেরিকের। যার মাত্র ৩ শতাংশের মূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আছে সরকারের।

বিশৃঙ্খল জীবনাচরণ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসসহ নানা কারণে এসিডিটির সমস্যা থাকে সবার। ওষুধের বক্সেও তাই এখন জায়গা করে নিয়েছে ওমিপ্রাজল বা ইসোমিপ্রাজলের মতো ওষুধ। আইনি দুর্বলতায় কোন ধরনের নোটিশ ছাড়াই মূল্যবৃদ্ধি করছে কোম্পানিগুলো।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ১৯৯৪ সালের ধারা অনুযায়ী ১১৭টি ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তবে সে তালিকায় নেই গ্যাস্ট্রিক, হার্ট ডিজিজ কিংবা ডায়াবেটিসে নিত্য ব্যবহৃত ওষুধগুলো।

গত কয়েক মাসের ব্যবধানে মূল্যবৃদ্ধির হার ২০ থেকে ৫০ গুণ। স্যাকলো ১০ টাকা, ফিনিক্স ২০ টাকা, রেব ২০ টাকা, পিকাবা আর এসিফিক্স ২৫ ও ২০ টাকা এবং ক্যামলোসার্ট ৪০ টাকা বেড়েছে। কোন কোনটির দু-তিনবার দামও বেড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares