‘পরমাণু অস্ত্র হারাম, অর্থ ব্যয়ের প্রশ্নই উঠে না’

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, পরমাণু অস্ত্র হারাম, এর পেছনে অর্থ ব্যয়ের প্রশ্নই উঠে না।তিনি বলেন, ‘পরমাণু বোমা তৈরি করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ইসলামি অনুশাসনের ভিত্তিতে আমি পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারকে হারাম ঘোষণা করেছি। কাজেই যে অস্ত্র ব্যবহার সম্পূর্ণ হারাম সে অস্ত্র তৈরি বা সংরক্ষণে পুঁজি বিনিয়োগ করার কোনো অর্থ হয় না।’দেশটির গণমাধ্যম বলছে, এ ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র উৎপাদন না করার ব্যাপারে তিনি যে ঐতিহাসিক ফতোয়া দিয়েছিলেন সে কথা স্মরণ করে আজ বুধবার এমন কথা বলেন খামেনি।খবরে বলা হয়েছে, এদিন ইরানের প্রায় দুই হাজার তরুণ বিজ্ঞানী সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তাদের সমাবেশে বলেন,

ইরানি বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আজ শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রতিরক্ষা, ন্যানো টেকনোলজি এবং শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচিসহ এ ধরনের অন্যান্য ক্ষেত্রে চোখ ধাঁধাঁনো সাফল্য অর্জন করেছে তার দেশ।তিনি এ জন্য ইরানের বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জানান ও তাদেরকে গবেষণা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। বিজ্ঞানীরা যাতে সহজে ও নির্বিঘ্নে তাদের গবেষণা কাজ চালিয়ে যেতে পারেন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারকে দিক-নির্দেশনা দেন দেশটির সর্বোচ্চ।পুলিশের ‘অনুমতি উপেক্ষা’ করে রাজধানীতে সমাবেশ করেছে বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার আসার পর এই প্রথম রাজধানীতে অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা, ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদ এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গত শনিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে নয়াপল্টনে

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ করা হয়।অনুমতি উপেক্ষা করে সমাবেশ করার কারণে তৃণমুলে সাহস বেড়েছে। আর এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায় বিএনপি। সুশীল সমাজের মতে এতোদিন পরে তারা সঠিক পথেই হাটছেন। অনুমতি না দিলেও তারা বিএনপির সভা সমাবেশ চালিযে যাওয়া উচিৎ বলে মনে করেন অনেকে।সরকার দলের এমপি মন্ত্রীরা অনেকেই একেক সময় বিএনপির আন্দোলনের মুরোদ নাই বলেও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares