প্রাণের ভয়ে ঘরছাড়া সিরিয়ার ৬৫ হাজার মানুষ

প্রাণের ভয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে পালাচ্ছেন সিরিয়ার মানুষ। বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে গেছে অনেক বাড়ি, কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে আকাশ। তালা পড়েছে বেশ কিছু হাসপাতালে। বুধবার তুর্কি সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬৫ হাজার মানুষ ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমেছেন। তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্ত লাগোয়া রাস আল-আইন এবং দরবসিয়া শহর এই দু’দিনেই প্রায় খালি। সিরিয়ার একাধিক মানবাধিকার ও ত্রাণ সংগঠনের দাবি, তুরস্ক যে ভাবে লাগাতার বোমা ফেলছে, তাতে সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বসবাসকারী প্রায় ৫ লাখ মানুষের জীবনে বড় ঝুঁকি রয়েছে।তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইতিমধ্যেই ৩৪২ জন কুর্দ ‘জঙ্গিকে’

মেরে ফেলেছে তাদের বাহিনী। প্রাণ গিয়েছে একজন তুর্কি সেনার। প্রসঙ্গত, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল সন্ত্রাসমুক্ত করতে বুধবার অপারেশন পিস স্প্রিং শুরু করে তুরস্ক। এরপর বৃহস্পতিবার সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ইউফ্রেটিস নদীর পূর্বাঞ্চলে ৩০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে তুরস্কের যুদ্ধবিমান। সেখানে কুর্দিদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় তারা। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।দিনের পর দিন রানাঘাট স্টেশনে গান গেয়ে দিন কাটত রানু মণ্ডলের। নিত্যযাত্রীদের দিয়ে যাওয়া টাকাতেই তাঁর প্রয়োজন মিটত। কিন্তু মাসখানেক হল বদলে গিয়েছে রানাঘাটের সেই রানুর জীবন। এক নিত্যযাত্রীর দৌলতেই সোশ্যাল মিডিয়ার ‘সুরসাম্রাজ্ঞী’ হয়ে ওঠেন তিনি। সেখান থেকেই রানুর মুম্বই যাত্রা শুরু। কিন্তু জানেন কি? মুম্বইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রানুর সবেমাত্র গড়ে ওঠেনি? বহু বছর আগে মুম্বইয়ে থাকতেন তিনি।

ছেলে ফরদিন খানকে দেখভাল করার জন্য রানুকেই বেছে নিয়েছিলেম ফিরোজ। এছাড়া ফিরোজের ভাই সঞ্জয় খানকেও কাজকর্মে সাহায্য করতেন রানু।কিন্তু হঠাৎ মুম্বই কেন গিয়েছিলেন রানু? সোশ্যাল মিডিয়ার ‘সুরসাম্রাজ্ঞী’ জানিয়েছেন, কৃষ্ণনগরে থাকতেন তিনি। রানাঘাটে ছিল তাঁর মাসির বাড়ি। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে তিনি মুম্বই যান। তখনই ফিরোজ খানের বাড়িতে রান্নাবান্নার কাজ শুরু করেন। পরে মানসিক অবসাদ ভুগতে থাকেন তিনি। ফিরে আসেন রানাঘাটেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares