প্রয়োজনে বাবার মতো জীবন দিয়ে দেব : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য যা যা করণীয়,আমরা তার সবই করে যাচ্ছি এবং করে যাব। আর কী কী দেবার আছে জানি না। তবে এইটুক বলতে পারি আমার জীবনটা আমি উৎ’সর্গ করেছি বাংলাদেশের জনগণের জন্য।
বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে যা যা প্রয়োজন সবই আমি করব, প্রয়োজনে আমার জী’বনও যদি দিতে হয়—বাবার মতো তাও দিয়ে দেব।”
বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য যা যা করণীয় আমরা তার সবই করে যাচ্ছি এবং করে যাব। এমন একটা সময় ছিল যে, এ দেশের মানুষ একবেলা খেতে পেত না,খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, এই ১০/১১ বছর আগের অবস্থাটাই যদি চিন্তা করেন, তাহলে তখন দেশের অবস্থাটা কী ছিল একবার চিন্তা করেন। অন্তত এখন আর সে অবস্থাটা নেই।”তিনি বলেন, “আজকে আমি প্রায় ২৩টা উপজেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শতভাগ বিদ্যুতায়ন কর্মসূচি উ’দ্বোধন করলাম। সেখানে ৭টি নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র উ’দ্বোধন করলাম। একটা উপজেলার একেবারে দু’র্গম এলাকার এক বোন বললেন যে, তার গ্রামে তিনি বিউটিফিকেশনের কাজ করেন এবং

এই বিদ্যুৎ আজকে চলে গেছে বলে এই কাজ আরও সহায়ক হবে। মানুষের অবস্থার যে পরিবর্তন ঘটেছে, গত এক দশকে একটা ইউনিয়ন পর্যায়েও বিউটিফিকেশনের কাজ হয়। আমাদের গৃহীত পদক্ষেপটা গ্রামগঞ্জে পৌঁছে গেছে এটা শুনে ভালো লাগে।”তিনি বলেন, আর কী কী দেবার আছে জানি না। তবে এইটুক বলতে পারি—আমার জীবনটা আমি উৎ’সর্গ করেছি বাংলাদেশের জনগণের জন্য। বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে যা যা প্রয়োজন সবই আমি করব, প্রয়োজনে আমার জীবনও যদি দিতে হয়—বাবার মতো তাও দিয়ে দেব।”অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, “কিছু কিছু শিল্পকারখানা এত পুরনো, শত চেষ্টা করেও রুগ্ন শিল্পকে চালু করা যাচ্ছে না। সেগুলোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares