বাঙালি ও বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি বঙ্গবন্ধু: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান বলেছেন, বাঙালি ও বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার শ্রাবণ প্রকাশনীর ‘শ্রাবণ বইগাড়ি’ কর্তৃক আয়োজিত পরিবাগ সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নাজমুল আহসান সম্পাদিত “কবিতায় বঙ্গবন্ধু-জন্মশতবর্ষে আবৃত্তির ১০০ কবিতা” বই নিয়ে আড্ডার এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বন্দুকের নলের সামনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের অগ্নিঝরা ভাষণ ছিল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ, আর সেই ভাষণের প্রতিটি উক্তিই ছিল বাঙালির স্বপ্নের স্বাধীনতার এক একটি কবিতা।

বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ ভাষণে যে কবিতা রচনা করেছিলেন সেই কবিতায় বাঙালি জাতির মুক্তির আহবান ছিল, ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের স্বতঃস্ফূর্ত উদযাপন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন জাতির পিতার সেই অমর কবিতা বিশ্বের বুকে চিরন্তন হয়ে থাকবে।তথ্য প্রতিমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, জাতির পিতাকে নিয়ে বিশ্বনেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া এবং প্রবন্ধ রচনা হয়েছে এবং জাতির পিতাকে আরো বেশি কবিতায় প্রকাশ করে ভবিষ্যৎ প্রজম্মের কাছে তুলে ধরতে কবিদের প্রতি তিনি এ আহবান করেন।

২০২০ সালকে বাংলাদেশ সরকার মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছেন এবং সারাবছর ব্যাপি জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ পালন করার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। দেশের প্রথিতযশা এবং উদীয়মান কবিদের প্রতি মুজিব বর্ষ নিয়ে কবিতা রচনার আহবান করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী।প্রতিমন্ত্রী বক্তৃতায় বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে , এই এগিয়ে চলায় বাংলা ও বাঙালিকে উদ্দীপিত করছে তার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। আর নীরবে পাথেয় হয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। তিনি যে অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বারবার বলে গিয়েছিলেন, আজ আমরা সেই মুক্তি অর্জনের পথে।

বর্তমান প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর অসীম সাহসিকতা, অসাধারণ নেতৃতের গুণাবলি, প্রজ্ঞা আর দূরদর্শিতায় দীক্ষিত বলে তিনি বিশ্বাস করেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নতুন বাংলাদেশ গঠনে নিজেদের নিয়োজিত করি। তরুণ প্রজন্মের মনোজগতে বঙ্গবন্ধুর আধিপত্য যত বেশি হবে, তত বেশি উজ্জ্বল হবে অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা ও দ্রারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া।এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী আশরাফুল আলম ও রূপা চক্রবর্তী এবং উপস্থাপনা করেছেন কবি সাংবাদিক কাজী নুসরাত শারমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares