মসজিদের পাশে পড়ে ছিল ফুটফুটে নবজাতক

ময়মনসিংহ নগরের একটি মসজিদের পাশ থেকে একদিন বয়সী এক ছেলে নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ঢোলাদিয়া এলাকার সালেহা মার্কেটের জামে মসজিদের পাশ থেকে ফুটফুটে এই নবজাতককে উদ্ধার করে পুলিশ।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম জানান, সকালে স্থানীয়রা ওই স্থানে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। শিশুটি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ওসি আরও জানান, কে বা কারা নবজাতককে ফেলে গেছে তাদের খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তার প্রকৃত অভিভাবক না পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে, গত ৪ অক্টোবর ফুলপুর উপজেলায় একজন ও ১৪ অক্টোবর ময়মনসিংহ নগরের ধোপাখলা এলাকায় রাস্তায় মৃত আরেক নবজাতককে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। প্রায় নিয়মিত এমন ঘটনায় স্তম্ভিত সাধারণ মানুষ। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরণের ঘটনা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অবৈধ সম্পর্কের ফসল হওয়ায় শিশুদের এ করুণ পরিণতির শিকার হতে হচ্ছে। সমাজকর্মী আলী ইউসুফ বলেন, যারা নবজাতক শিশুকে ফেলে দেন তারা সরাসরি হত্যার মতো অপরাধ করছেন। তাদের শাস্তি হিসেবে মৃত্যু বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা উচিত। অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত হলেই এ ধরনের অপরাধ সম্পর্কে অপরাধীরা সচেতন হবে।

ময়মনসিংহ নগরের একটি মসজিদের পাশ থেকে একদিন বয়সী এক ছেলে নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ঢোলাদিয়া এলাকার সালেহা মার্কেটের জামে মসজিদের পাশ থেকে ফুটফুটে এই নবজাতককে উদ্ধার করে পুলিশ।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম জানান, সকালে স্থানীয়রা ওই স্থানে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। শিশুটি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।ওসি আরও জানান, কে বা কারা নবজাতককে ফেলে গেছে তাদের খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তার প্রকৃত অভিভাবক না পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবেএদিকে, গত ৪ অক্টোবর ফুলপুর উপজেলায় একজন ও ১৪ অক্টোবর ময়মনসিংহ নগরের ধোপাখলা এলাকায় রাস্তায় মৃত আরেক নবজাতককে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। প্রায় নিয়মিত এমন ঘটনায় স্তম্ভিত সাধারণ মানুষ।সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরণের ঘটনা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অবৈধ সম্পর্কের ফসল হওয়ায় শিশুদের এ করুণ পরিণতির শিকার হতে হচ্ছে।সমাজকর্মী আলী ইউসুফ বলেন, যারা নবজাতক শিশুকে ফেলে দেন তারা সরাসরি হত্যার মতো অপরাধ করছেন। তাদের শাস্তি হিসেবে মৃত্যু বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা উচিত। অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত হলেই এ ধরনের অপরাধ সম্পর্কে অপরাধীরা সচেতন হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares