“মিশা-জায়েদ কি করে সাহস পান”

গতকাল ৪/১০/২০১৯ রোজ শুক্রবার হয়ে গেল আমাদের শিল্পী সমিতির এজিএম। ঠিক দুপুর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে যে কোনো এক মুহূর্তের এই ছবিগুলো। আপনারা সবাই জানেন শিল্পী সমিতির সভাপতি-সেক্রেটারি এখন প্রাক্তন। তারা কোনো ক্ষমতায় নাই। পুরো সমিতির দায়িত্বে আছেন নির্বাচন কমিশনার, আমাদের শ্রদ্ধেয় কাঞ্চন (ইলিয়াস কাঞ্চন) ভাই। কিন্তু তার অনুপস্থিতিতে, আমি জানি কাঞ্চন ভাই জানেন না, আমার বিশ্বাস। কি করে এই দুই চেয়ারে এখন তারা (মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান) বসেন। তারা তো ওই চেয়ারে বসতে পারে না। অন্য শিল্পীরা যারা ছিলেন তাদের তো কোনো দোষ নেই। মিশা-জায়েদ কি করে সাহস পান। কাঞ্চন ভাই আপনার উপরে অগাধ বিশ্বাস। আপনি দেখবেন বিষয়টি। আমার সহশিল্পীদের উদ্দেশ্যে বলছি। আমি কি কোনো ভুল বললাম। ভুল হলে শুধরে নিব। ক্ষমা করবেন।

ব্যক্তিগত ব্যবসায় জড়িত থাকার পর দুই বছরেরও কম সময়ে মক্কার উপ-গভর্নরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।সৌদি আরবের ভেতরের লোকজন ও পশ্চিমা কূটনীতিকরা বলছেন, যুবরাজের বাবা বাদশাহ সালমান জীবিত থাকাকালে তার বিরোধিতা করা রাজপরিবারের পক্ষে অসম্ভব। বাদশাহ তার প্রিয় পুত্রের বিরুদ্ধে যাবে এমন সম্ভাবনা কম।ইতিমধ্যে তার শাসনের অধিকাংশ দায়িত্ব ছেলের হাতে তিনি অর্পণ করেছেন। কিন্তু সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভায় এখনও সভাপতিত্ব করছেন ও বিদেশি অতিথিদের স্বাগত জানাচ্ছেন।বাদশাহর ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় না নিয়েই কূটনীতিকরা বলছেন, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ তাকে দেয়ার পর এমবিএসের কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করা কঠিন।সালমানের একমাত্র আপন ভাই ৭৭ বছর বয়সী প্রিন্স আহমেদ বিন আবদুল আজিজ যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সম্ভাব্য বিকল্প হতে পারেন বলে মনে করছেন রাজপরিবারের কয়েকজন সদস্য।নিরাপত্তা বাহিনী, রাজপরিবার ও পশ্চিমা শক্তিও তাকে সমর্থন করতে পারেন বলে পাঁচটি সূত্র জানিয়েছে।একজন প্রখ্যাত ব্যবসায়ী বলেন, তিনি কী করেন; তা দেখতে সবাই আহমেদের দিকে তাকিয়ে আছেন। রাজপরিবার ভাবছে, একমাত্র তিনিই তাদের রক্ষা করতে পারবেন।তবে আহমেদ এমন কোনো ভূমিকা রাখতে ইচ্ছুক কিনা, তার কোনো প্রমাণ নেই। আড়াই বছর বিদেশে অবস্থানের পর ২০১৮ সালের অক্টোবরে রিয়াদে ফিরে অপেক্ষাকৃত কম পদমর্যাদার দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares