মুরগি কিনবেন নাকি পেঁয়াজ? দাম একই!

আজ রবিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিপ্রতি পেঁয়াজের জন্য গুনতে হচ্ছে ১২০ টাকা পর্যন্ত, যা এক দিন আগেও ছিল ১১০ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ টাকা। দেশি বা আমদানি—সব ধরনের পেঁয়াজের দামেই ঊর্ধ্বগতি। গত এক মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ১২০ টাকায় উঠল পেঁয়াজের দাম। এদিকে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি, কক ২৪০ টাকা আর দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম আর পেঁয়াজের দাম একই। সপ্তাহ ধরে প্রতিকেজি ১১০ টাকা বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগি এখন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পেঁয়াজের বাজারে চলছে রীতিমতো নৈরাজ্য। সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি থাকায় এর অপব্যবহার করছেন সুযোগসন্ধানী কিছু ব্যবসায়ী। এখন কেজিপ্রতি পেঁয়াজের জন্য গুনতে হচ্ছে ১২০ টাকা পর্যন্ত, যা এক দিন আগেও ছিল ১১০ টাকা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার কারণে পেঁয়াজের দাম না কমে বাড়ছে। অথচ পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ পর্যাপ্ত।কিছু খুচরা বিক্রেতা বেশি দামের কারণে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ রাখার কথা জানালেও অনেক খুচরা বিক্রেতাই বলছেন, পাইকারি বাজার থেকে চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ পাচ্ছেন তাঁরা।রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাইকারি আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, দেশি, ভারতীয়, মিসর ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। মেসার্স মাতৃভাণ্ডার ৫৬ নম্বর আড়তের মূল্যতালিকায় দেখা গেল, দেশি পেঁয়াজ ১০৮ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ১১৫ টাকা, মিসরের পেঁয়াজ ১০০-১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর উদ্দিন বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই বাজারে যেকোনো পণ্যের দাম বাড়ে। গত দুই দিনে পেঁয়াজের বাজারের ঊর্ধ্বগতিও বৃষ্টির কারণে।’ নজরদারির অভাব রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা নিয়মিত বাজার নজরদারি করছি। তবে নজরদারিতেও ফল আসছে না। গত এক মাসে দুই হাজার ব্যবসায়ীকে প্রায় দুই কোটি টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছে; কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে না।’ আগামী নভেম্বরে নতুন পেঁয়াজ এলে বাজার স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares