যে কারণে নোবেল পেলেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী

এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জেতেন ৪৩ বছর বয়সী আবি আহমেদ। যুক্তরাজ্যের কিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আওল আলো বলেন, আবি এই পুরস্কারের যোগ্য। ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার মধ্যে ২০ বছর ধরে চলা যুদ্ধ নিরসনে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন।গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় শততম শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে নরওয়ের নোবেল কমিটি।নোবেল শান্তি পুরস্কারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এ বছর নোবেল পুরস্কারের জন্য ৩০১টি মনোনয়ন জমা পড়ে।

যার মধ্যে ২২৩ জন ব্যক্তি এবং বাকি ৭৮টি প্রতিষ্ঠান। তবে ৫০ বছর ধরে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করার আগে মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করে না নোবেল প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ। সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছিল। তবে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে সুইডিশ বংশোদ্ভূত দুনিয়া কাঁপানো জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থানবার্গের নাম।এ ছাড়া নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন, ব্রাজিলের আদিবাসী নেতা ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মী রাওনি মেতুকতিরের নামও শোনা যায়।আরো পড়ুন…..দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে শান্তি পুন:রুত্থান ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী হয়েছেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি। নোবেল পুরষ্কারের ইতিহাসে ১০০ তম ব্যক্তি হিসেবে শান্তিতে নোবেল জিতেছেন তিনি। একদমই সাধারণ এক কৃষক পরিবারের সন্তান ছিলেন আবি। কিন্তু সেখান থেকেই আজ অসাধারণ এক নেতা তিনি।

প্রযুক্তির প্রতি তার আলাদা মুগ্ধতা রয়েছে। কিশোর বয়েসে তিনি সামরিক বাহিনীর একজন রেডিও অপারেটর হিসেবে যোগ দেন।সরকারে ঢোকার আগে তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবি পেয়েছিলেন। এছাড়া ছিলেন ইথিওপিয়ার সাইবার গোয়েন্দা সংস্থা ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি এজেন্সির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান।শন্তিতে নোবেল জেতার পাশাপাশি এ বছর বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায়ও স্থান পেয়েছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares