অবশেষে জানা গেলো নদীতে টাকা ভাসার আসল রহস্য!

বগুড়ার করতোয়া নদীতে টাকা ভাসছে এমন গুজবে নদীর পাড়ে ভিড় জমান উৎসুক জনতা। কেউ কেউ নদীতে নেমে টাকা সংগ্রহ করেছেন বলেও জানান। সোমবার রাত ১১টা পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক জনতা শহরে করতোয়া রেল সেতু ও আশপাশে ভিড় জমান। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শহরে নানা ধরনের কথা-বার্তা চলছে।রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নদীর রেল ব্রিজ ও ফতেহআলী ব্রিজের মাঝামাঝিতে বিপুল সংখ্যক উৎসুক জনতার ভিড় দেখা যায়।

সেখানে টাকা সংগ্রহ করতে অনেকেই নদীতে নামেন। তবে কত টাকা সেখানে পাওয়া গেছে তার সঠিক হিসাব জানা যায়নি।শহরতলীর নারুলীর মোশারফ হোসেন ও উত্তর চেলোপাড়ার চন্দন জানান, টাকা ভেসে থাকার বিষয়টি প্রথমে দেখে কাইল্যা নামে এক ব্যক্তি। প্রথমে তিনিই নদী থেকে টাকা সংগ্রহ করে চলে যান। সেই খবরে তারাও সেখানে নেমে টাকা সংগ্রহ করেছেন।

সেখানে থাকা স্থানীয় রহিম উদ্দিন, মাহবুর রহমান ও সফিকুল ইসলাম জানান, নদীতে কে বা কারা টাকা ফেলে গেছে তারা জানেন না।এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান জানান, সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। ওই সময় রেল সেতুর ওপর দিয়ে দৌড়ে পালানোর সময় বা কোনো পথচারীর কাছ থেকে অসাবধানতাবশত টাকা নদীতে পড়তে পারে।

নদীতে ৩০০ টাকার মতো পাওয়া গেছে। টাকা ভাসার খবরটি গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়।আরো পড়ুন…..আকাশে চাঁদের আলো। পায়রা নদীর নির্মল স্রোত ঠেলে ছুটে চলছে ইঞ্জিনবাহী ট্রলার। প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় লাইট হাতে কখনও দাঁড়িয়ে কখনও ট্রলারের সামনে বসে নদীতে পাহারাদারের দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সুপার মো. মাইনুল হাসান। গতকাল রোববার রাত ১১টা থেকে ভোররাত ৪টা পর্যন্ত পায়রা নদীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ট্রলারে ঘুরেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares