১৫টি গ্রামের মানুষ পারাপার হয় বাঁশের সাঁকো দিয়ে

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে একটি ব্রিজের অভাবে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে ওই উপজেলার ১৫টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, রৌমারী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে মরাখালে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত ৮০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো রয়েছে। উপজেলা থেকে শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদ হয়ে বড়াইকান্দি বাজার পর্যন্ত দুই কিলোমিটার জন গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটিতে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করার জন্য এলাকাবাসীর দাবি দীর্ঘদিনের হলেও সেখানে স্থানীয় প্রসাশনের নেই কোনো উদ্যোগ। এতে করে যোগাযোগ ব্যবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারীদের।

এ সাঁকো দিয়ে ওকড়াকান্দা, চৎলাকান্দা, বোওয়ালমারী, শৌলমারী, ডাংগুাপাড়াসহ ১৫টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ এবং স্কুল কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে।ওই এলাকার আব্দুর ছালাম, আশরাফ আলী, খিয়াস উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম ও আয়নাল হকসহ আরও অনেকে জানান, রৌমারী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশেই নরবরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে আমাদের আসা-যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। ব্রিজটি কর্তৃপক্ষের নজরে থাকলেও কার্যকরী ভূমিকা রাখছেন না তারা।

দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আবু হাফিজ, সিমা আক্তার ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সেলিনা খাতুন, তাজ নাহার ও আয়শা সিদ্দিকা বলেন, আমরা ঝুঁকিপর্ণ এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার করছি। তাই দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।রৌমারী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এইচএম হুমায়ুন কবির বলেন, এখানে একটি ব্রিজ ছিল, তা চলতি বছরের বন্যায় ভেঙে গেছে।এ ব্যাপারে রৌমারী উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, এবারের বন্যায় ব্রিজটি ভেঙে গেছে। বন্যার ক্ষয়-ক্ষতির তালিকায় ব্রিজটির নাম পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares