৪৫ টাকা দরে পেঁয়াজ

গত অক্টোবর থেকেই চড়া পেঁয়াজের বাজার। ১২০-১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ। কিন্তু এরই মাঝে স্বস্তি দিচ্ছে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার পেঁয়াজ চাষীরা। আগাম এ পেঁয়াজের পাতাসহ প্রতি কেজি বিক্রি করছেন ৪০-৪৫ টাকা দরে। তবেও তাতেও তাদের লাভ হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ। আর তাই বাড়তি মুনাফার উদ্দেশ্যে কিছুটা অপরিপক্ক পেঁয়াজ আগাম তুলে বিক্রি করে দিচ্ছেন চাষীরা। আর স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, সারাদেশে আগাম পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে পারলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব।

সূর্যের সাথে পাল্লা দিয়ে ভোর থেকে চলছে মানিকগঞ্জের সিংগাইর সদর, জয়মন্টপ ও জামসা ইউনিয়নের জমি থেকে আগাম পেঁয়াজ তোলার উৎসব। চড়া মূল্যের সুযোগ নিতে অপরিপক্ক পেঁয়াজ তুলতে ব্যস্ত কৃষক। একই সাথে গাজর ও পেঁয়াজ চাষ করে অধিক মুনাফাসহ দেশের চাহিদাও কিছুটা পূরণ হচ্ছে। যেখানে পেঁয়াজ রোপন থেকে তুলতে সময় লাগে ৪৫ দিন। সেখানে ৩০ থেকে ৩৫ দিনের পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে রাজধানীসহ আশপাশের জেলাতে। দাম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। বিদেশি পেঁয়াজের তুলনায় স্বাদ বেশি হওয়ায় চাহিদাও রয়েছে বেশ।

মানিকগঞ্জের আগাম তাহেরপুরী, ফরিদপুরী কিং ও সোনালী জাতের পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। এর আদলে দেশের সর্বত্র পেঁয়াজের আগাম চাষ করলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তাহি করা সম্ভব বলে মনে করেন জয়মন্টপ ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র সরকার। তিনি বলেন, পেঁয়াজের যে চাহিদা সেটা হিসেব করেই দেড় মাস পূর্বেই আমরা কৃষকদের আগাম নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি। তারা যেন গাজরের সঙ্গেও পেঁয়াজও চাষ করে। মানিকগঞ্জের সাত উপজেলায় মোট ১০০ হেক্টর আগাম পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২ হাজার ৩০০ টন আগাম পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে জেলায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares