৬ মাসের জেলের সার্টিফিকেট নিয়ে বিশ্রামের সুযোগ পেল সম্রাট

সম্রাটকে কোন অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে? তার বিরুদ্ধে অভিযোগটা কি? পত্রিকায় পড়লাম ‘ক্যাঙ্গারুর চামড়া’ রাখার দায়ে তাকে ৬ মাসের জেল দেওয়া হয়েছে। ‘ক্যাঙ্গারুর চামড়া’ রাখা মারাত্মক অপরাধ বটে! এতোই মারাত্মক যে সঙ্গে সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। সঙ্গে বিদেশি মদ থাকায়ও নাকি তার ৬ মাসের জেল হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আর কোনও অভিযোগ আছে বলে খবরের কোথাও দেখলাম না।সম্রাটকে কিন্তু কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সম্ভবত কোনও প্রয়োজন নেই। (সম্রাটকে ঘিরে নানা ‘কাহিনী’ প্রকাশের সুযোগটা মিডিয়াকে তা হলে দেওয়া হচ্ছে না!) ।ছয় মাসের জেলের সার্টিফিকেট নিয়ে আপাতত বিশ্রামের একটা সুযোগ পেল সম্রাট। এভাবে পালিয়ে পালিয়ে থাকা কি ‘সম্রাটের’ শোভা পায়! তাছাড়া, সরকারকেও সবাই গালমন্দ করে। তার চেয়ে কেন্দ্রীয় কারাগারে আরাম আয়েশে ছয় মাস কাটানোটা খারাপ কি!

জানাবো, যে আমরা এই কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছি। অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি আর থাকবে না। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর গোচরে আনবো যে আমরা এই কর্মসূচি করছি। এখন পর্যন্ত কাগজে কলমে তাই লেখা আছে, সেই সম্মানটুকু আমরা করব। সুতরাং আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনী অনুমতি দিলেন কিনা সেই অপেক্ষায় থাকার আমাদের সময় নাই।পুলিশের অনুমতি উপেক্ষা করে বিএনপির সমাবেশ করার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমরা তো সমাবেশ করার আগে সব সময় পুলিশকে জানাই। পুলিশ কখনো লিখিত ভাবে আবার কখনও মৌখিক ভাবে অনুমতি দেয়। কখনও কয়েক ঘণ্টা আগে, আবার কখনও কয়েক দিন আগেও দেয়। সবচেয়ে বড় কথা শনিবারের সমাবেশটা হয়েছে। গণতন্ত্র আসলে বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় আছে সেটা মুক্ত করা জরুরি। আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকলে সভা সমাবেশ গণতন্ত্রের পক্ষে আর সরকারি দলে থাকলে সভা সমাবেশ গণতন্ত্রের বিপক্ষে। স্বাভাবিক কারণে বিএনপি গণতন্ত্রমনা দল। স্বাধীন ভাবে একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশ হবে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নাই। এটি আমাদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার।পুলিশের অনুমতি উপেক্ষা করে বিএনপির সমাবেশ করেছে সামনে এটা অব্যাহত থাকবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি কেন, বিএনপির বাইরেও যেসকল দলগুলো রয়েছে তারাও যদি গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করে তাহলে তো তারাও সামনের দিকে আগাবে।এসব বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, অপেক্ষা করেন দেখতে পারবেন। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি, করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares